(১) মেরাজে গিয়ে আরশে আজীম পর্যন্ত ভ্রমন করা।
(২) আকাশের চাদকে দ্বী-খন্ডিত করা।
(৩) হিজরত করা।
বলতে গেলে রাসুলের জীবনের সবই ছিল গুরুত্বপূর্ন ঘটনা। প্রিয় নবী ﷺ এর চরিত্র সম্পর্কে আল্লাহ পাক কুরআনের সুরা আল-ক্বলামের চার নাম্বার আয়াতে বলেছেন, হে নবী! নিশ্চয়ই আপনি সব চাইতে উন্নত চরিত্রের মানুষ। আপনি নৈতিকতার অতি উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। প্রিয় নবী ﷺ নবুওয়াত প্রাপ্ত হইয়া তার স্ত্রী উম্মৎ জননী হযরত খাদিজাতুল কুবরা রাযি. বলেন, আমি এই দীর্ঘ পনের বৎসর আপনার স্ত্রী হিসেবে আপনার সাথে থেকে আপনার যে উন্নত চরিত্র দেখেছি তা আর কারো মধ্যে দেখি নাই। অতএব, আল্লাহ আপনাকে নবুওয়াত দান করেছেন তা আমি পূর্ন বিশ্বাস করি। পৃথিবীতে সকল মানবজাতির কল্যাণের জন্যই আল্লাহ পাক আপনার মত মহান ব্যাক্তিকে নবী বানিয়েছেন।
পৃথিবীতে মানব রচিত জীবন ব্যবস্থাকে পরাজিত করে আল্লাহর দেয়া সঠিক জীবন ব্যবস্থাকে বিজয়ী করার দায়িত্ব দিয়েই আল্লাহ তার রাসুল ﷺ কে পাঠিয়ে ছিলেন।
মক্কা বিজয়ের পর আরবের অবস্থা এই পর্যায়ে এসেছিল যা কুরআনে ছিল সমাজেও তাই ছিল। তখন চুরি করলে হাত কাটা হয়েছে। মাত্র একজন মহিলা চোরের হাত কাটার পর তের লক্ষ বর্গ মাইল এলাকা জাজিরাতুল আরবে সুদীর্ঘ বিয়াল্লিশ বছরের মধ্যে আর কোন চুরি হয় নাই।
মানুষের ভিতর থেকে যাবতীয় ভয়-ভীতি বিদায় নিয়েছিল, মানুষ স্বস্থির নিশ্বাস নিতে পেরেছিল। তখন যে যাই করেছে তা কুরআনের নির্দেশক্রমে করেছে। আর যে কাজে কুরআন ও হাদীসের নির্দেশ ছিল না তা সমাজে কেউ করতে পারে নাই। আর এখন বর্তমান পৃথিবীতে আমরা প্রায় দেড়শ কোটি মুসলমান থাকা সত্তে¡ও বর্তমান পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই আল্লাহর দেয়া সঠিক জীবন ব্যবস্থা কায়েম নাই। এটা যে মুসলমানদের জন্যে কতবড় লজ্জ্বার কথা তা যদি বর্তমান যুগের মুসলমান সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারতো তাহলে লজ্জায় ঘর থেকে বের হতে পারতো না। আল্লাহর দেওয়া বিধান মোতাবেক জীবন গঠন করতে পারলে ব্যাক্তি জীবন, রাষ্ট্রয় জীবন, রাজনৈতিক জীবন, আর্ন্তজাতিক জীবন মোটকথা জীবনের সর্বক্ষেত্রে শান্তি, শৃংখলা ফিরে আসবে। জীবনে সুখ শান্তি নসীব হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বরকত ও রহমত দেখা দিবে।
No comments:
Post a Comment